৪০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা গড়ার লক্ষ্যে একীভূত হচ্ছে এস্টি লডার ও পুইগ

জিন পল গল্টিয়ারে মালিকানাধীন পুইগের সঙ্গে সম্ভাব্য এ একীভূতকরণ সফল হলে ফ্যাশন ও সৌন্দর্য জগতে প্রায় ৪০ বিলিয়ন বা ৪ হাজার কোটি ডলারের একটি বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য তৈরি হবে।

এস্টি লডার বর্তমানে ত্বক পরিচর্যা, মেকআপ ও সুগন্ধি তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। কোম্পানির ঝুলিতে রয়েছে ক্লিনিক, ববি ব্রাউন ও টম ফোর্ড বিউটির মতো জনপ্রিয় সব ব্র্যান্ড। অন্যদিকে দুই বছর আগে মাদ্রিদ স্টক মার্কেটে তালিকাভুক্ত হওয়া পুইগ গ্রুপের অধীনে রয়েছে শার্লট টিলবারি, ক্যারোলিনা হেরেরা ও ড্রিস ভ্যান নোটেনের মতো বিখ্যাত ব্র্যান্ড। উভয় প্রতিষ্ঠানই একীভূত হওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তবে নতুন ব্যবসা কাঠামো কেমন হবে, সে সম্পর্কে এখনো কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পুইগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত লেনদেনের শর্তাবলি বা এটি আদৌ ঘটবে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দুই প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক পর্যায়ে কিছুটা মিল থাকলেও পণ্যের ধরনে পার্থক্য রয়েছে। এস্টি লডারের মূল নজর ত্বক, মেকআপ ও চুলের পরিচর্যার ওপর। অন্যদিকে পুইগ ডিজাইনার পোশাকের জন্য বেশি পরিচিত। তবে সুগন্ধি বা পারফিউমের বাজারে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি স্পষ্ট মিল রয়েছে। এদিকে সম্ভাব্য একীভূতকরণের খবরে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ফলে গত সোমবার লেনদেনের শেষে এস্টি লডারের শেয়ারদর প্রায় ৮ শতাংশ কমে যায়। সিটিগ্রুপের বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, এস্টি লডার বর্তমানে ব্যবসায়িক সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের তুলনায় প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর বর্তমানে ৮০ শতাংশ নিচে রয়েছে। ঘুরে দাঁড়ানোর এ প্রাথমিক পর্যায়ে এত বড় চুক্তির ফলে ব্যবসায়িক জটিলতা ও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে সিটিগ্রুপ। পুইগও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সালে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসার পর থেকে কোম্পানির শেয়ারদর প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। —খবর ইউরো নিউজ

আরও